কেউ ঠিক করে বলতে পারেনা ের সংজ্ঞা।
একটু ভাব্লে আপনারও মনে হবে যে প্রেম অনেক রকমেরই হয়।
কিন্তু সেগুলোকে কিভাবে কত ভাগে কি নামে ভাগ করবেন?
সেসব নিয়ে আপনাকে আর ভাবতে হবে না।
আজ আমি আপনাদেরকে সেগুলো সম্পর্কেই বলব।
১. ভালোলাগা
এমন মানুষ যার সঙ্গে আপনি সমস্ত কথা শেয়ার করতে চান। সমস্ত মুহূর্ত এক সঙ্গে কাটাতে চান। তাকে আপনার শুধুই ভালোলাগে। এই অনুভূতিকে কখনওই ভালবাসা বলে ভেবে বসবেন না। তিনি আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে পারে, কিন্তু কাছের মানুষ নয়।
২. মোহ
আপনি একটা মানুষকে রোজ দেখছনে বেশ ভালোও লাগছে আপনার। তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে চাইছেন। কিন্তু এটা শুধুমাত্রই মোহ। যখন আপনার এই মোহ কেটে যাবে তখন আপনার ভালোলাগাও দূরে চলে যাবে। এখানে শুধুমাত্রই আবেগ কাজ করে। আবেগ ছাড়া আর কিছুই বর্তমান থাকে না।
৩. প্রতিশ্রুতি
অনেক সময় দেখতে পাওয়া গেছে আপনি হয়ত কাউকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছেন। কিন্তু সেই মানুষটির প্রতি কোনও রকম যৌন আকর্ষণ অনুভবই করছেন না। কিন্তু তাঁকে ছেড়ে দিতেও মন চাইছে না। তখন আপনি খালি প্রেমের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় বহু বছর প্রেম করার পরেও অনেকেই বিয়ে করেন কেবলমাত্র একে ওপরের কাছে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ থাকেন বলে।
৪. রোমান্টিক প্রেম
আবেগ এবং অন্ত্রঙ্গতা যখন কোনও ভালবাসার মধ্যে থাকে তখন তাকে রোম্যান্টিক প্রেম বলা হয়ে থাকে। যেই মানুষকে হয়ত আপনি কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও একটি মধুর সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছেন আপনি। এই সম্পর্ক সব সময় বেশি দূর না চললেও একটা মধুর অনুভূতি দিয়ে যেতে পারে আপনাকে।
৫. ঘনিষ্ট প্রেম
যখন অন্তরঙ্গতা এবং প্রতিশ্রুতি দুটোই সম্পর্কের মধ্যে থাকে তখন তাকে ঘনিষ্ট প্রেম বলা হয়ে থাকে। এই প্রেম সাধারণত কোনও বন্ধুর প্রতি অথবা যে কোনও মানুষের প্রতি হয় থাকে। যাকে আপনি অনেক দিন ধরেই চেনেন, কিন্তু তার সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে কখন এতোটা ঘনিষ্ট হয়ে গেছেন সেটাও বুঝতে পারেননি। এই প্রেম টেঁকার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি।
৬. অর্থহীণ প্রেম
দূর থেকে দেখার পর অনেক মানুষকেই বেশ ভালো লাগে আমাদের। আমরা সেই মানুষটির পছন্দকে নিজের পছন্দ হিসেবে মেনে নিতে থাকি। হয়ত অনেক সময় সেই ভালোলাগা বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু তারপর সমস্ত ভালোলাগার অবসান ঘটে যায়। কারণ মানুষকে কাছ থেকে না দেখে দূর থেকে দেখেই তাকে আমরা বিচার করতে থাকি। যার ফলে ভবিষ্যতে অনেক বড় ধোকা খেতে হয় আমাদের।
৭. অনবদ্য প্রেম
অন্তরঙ্গতা, আবেগ এবং প্রতিশ্রুতি এই তিনটি উপাদান যখন ভালবাসার মধ্যে মিলে মিশে যায় তখন একোটা অনবদ্য প্রেম পাই আমরা। এই প্রেমের ক্ষেত্রে অন্তরঙ্গতা যে রকম থাকে ঠিক সেই রকমই থাকে একে ওপরের প্রতি বিশ্বাস, ভরসা। যেই প্রেমিক যুগলের মধ্যে দেওয়াল তোলার ক্ষমতা কারোর থাকে না। এই প্রেমই হয় সত্যিকারের প্রেম। এই প্রেম সত্যি সত্যি কাঁঠালের আঠা, যাকে সরষের তেল দিয়েও ছাড়ানো সম্ভব নয়...
ভালোবাসা নিয়ে কথা
ভালোবাসা চোখের দেখা কিছু নয়।
ভালোবাসা একটা অনুভুতি। এই অনুভুতির কোনো সীমা নেই।পারস্পারিক দূরত্ব কখনও ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারেনা।
পরস্পরকে অনুভব করতে পারলে ভালোবাসা সবসময় সাথে থাকে।
ভালোবাসা মানে এই নয় ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনালাপ করতেই হবে।
ভালোবাসা...?
দু প্রান্তে দুটো মানুষ যখন একই সময়ে দুজন দুজনকে নিয়ে ভাবছে হয়তো সেটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় হাজারো মিষ্টি কথার ঝুলি নিয়ে রাত পার করা।
ভালোবাসা...?
প্রতিরাতে ঘুমোনোর আগে একবার তার প্রতিচ্ছবি কল্পনা করে ভেবে নেয়া সেই মানুষটাও তাকে এভাবেই দেখছে। হয়তো এটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না।
ভালোবাসা...?
শেষ মুহূর্তেও তার জন্য বেঁচে থাকার লড়াই করে যাওয়া। হয়তো এটাই ভালোবাসা।
ভালোবাসা মানে এই নয় তোমাকে না দেখা থাকতে পারবো না।
ভালোবাসা...?
অনুভব করে নেয়া সে পাশে আছে সবসময়। নাই বা হল দেখা। মনের চোখে তাকে দেখে নেয়া। হয়তো এটাই ভালোবাসা...।
সব ভুলবোঝাবুঝি
পাশাপাশি রিকশায় আমরা।
এত আড়াল করার পরও চোখে চোখ পড়ে গেল।
এত বছর পরেও বুকটা এমন ধুকধুক করে কেন!
কথা বলবনা বলবনা করেও মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, কেমন আছ?
- ভালো। তুমি?
- ভালো। বাড়ি ফিরছ?
- হ্যা। তুমি?
- আমিও, এখানে নতুন এসেছ? আগে দেখিনি তো।
- দেখা দিতে চাইনি।
- আমিও তো।
- ইস কি বিশ্রী জ্যাম!
- হ্যা। কখন যে একটু চলতে শুরু করবে!
- সেটাই। তোমার শ্বাসকষ্টের অসুখটা কমেছে?
- না ঐ এক রকমই আছে। তোমার মাইগ্রেইন?
- আগের চেয়ে কিছুটা কম। মনে আছে তোমার?
- হ্যা, হেসে বলি আমি। এরপর কোন কথা নেই কিছুক্ষন। জ্যামটাও ছাড়ছেনা।
- এখনও প্রতিদিন শাড়ি পর?
- তুমিইতো অভ্যাসটা করিয়েছিলে। আর ছাড়তে পারিনি।
- অভ্যাসটা ছাড়তে পারনি কিন্তু মানুষটাকে ঠিকই ছেড়ে গেলে।
- আহা ওসব থাক না প্লিজ।
- হ্যা থাক। আচ্ছা তোমার দিদি ভালো আছে?
- দিদি এখন নিজের বাড়িতে, বিয়ে হয়ে গ্যাছে। জ্যাম বুঝি ছাড়ল। যাই।
- যাও। শাড়ির আঁচলটা গুটিয়ে নাও রিকশার চাকায় আটকাবে।
- তুমিও সানগ্লাস টা পর। রোদে মাথাব্যথা করবে।
- এই শোন, ভালো থেক।
- তুমিও ভালো থেক । রাত জাগার বিশ্রী অভ্যাসটা বাদ দিও। আর অনেক শুকিয়ে গেছ। নিজের যত্ন নিও।
সামনের দিকে তাকালাম। আমার রিক্সা কিছুটা এগিয়ে গেছে। হলুদ শাড়ি পরা আমার চুল বাতাসে উড়ছে। শাড়িটা ওরই দেয়া ছিল। ও কি চিনতে পেরেছে?
আজ ১৬-ই জানুয়ারি। এই দিনেই ওর সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। মনে কি আছে ওর?
চুলগুলো বাঁধতে গিয়েও বাঁধলাম না। খোলা চুল ওর খুব প্রিয় ছিল। এত বছর পরে নিজেকেও বড্ড অচেনা লাগে। মানুষ কি সবসময় নিজেকে চিনতে পারে? চোখটা আজ বড় বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে।
বড় ইচ্ছে করে ভালোবাসতে
বড় ইচ্ছে করে, রোজ খুব সকালে ঘড়ির এলার্মের মতো তোর ঘুম ভাঙাতে।
বড় ইচ্ছে করে, সকালে চায়েরকাপে চুমুক দেয়া তোর মায়াবী ঠোঁটের স্বাদ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ঘর্মক্লান্ত দুপুরে স্নানের পর তোর প্রতিটি অঙ্গের ঘ্রাণ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, বিকালের হালকা রোদে তোর হাত ধরে ব্যস্ত শহরে হাটতে।
বড় ইচ্ছে করে, চাঁদনী রাত তোর ঘুমন্ত মায়াবী চেহারা দেখে কাটিয়ে দিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ছায়ার মতো প্রতিটা মুহুর্তের তোর সঙ্গী হতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে নিয়ে গড়া এই কল্পনা গুলোকে সত্যি করে তুলতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে আমার মনের মতো করে ভালবাসতে।
এগুলো শুধুমাত্র ইচ্ছা, মনে হয় না কখনও পুরন হবে কিনা!
ছোট কিছু কথা যা মনে আসছে লিখে ফেললাম।
ভালোবাসা মানে জয়ী হওয়া না। বরং কারো জন্য পরাজয় টাকে মেনে নেওয়া।
ভালোবাসা হোক অসীম। বেঁচে থাকুক ভালোবাসা হাজার বছর।
স্বার্থপর ছেলে
আপনি নিজেও জানেন ও মানেন সব মেয়ে যেমন খারাপ বা হৃদয়হীনা হয় না, তেমন সব ছেলেরাও কিন্তু ধোয়া তুলশীপাতা নয়। অনেক ছেলেই কিন্তু চরম খারাপ।
আমি নিজেই একজন।
আমি হয়ত কারোর সাথে সেক্স করে ভিডিও ইন্টারনেটে দিতে পারব না, অতোটা খারাপ না।
কিন্তু অনেক ছেলেই যে এটা করছে তাতো প্রতিদিনই দেখছি।
ছেলেটা খুব ব্যাস্ত বিয়ের কেনাকাটা নিয়ে।
মেয়েটার কোন ব্যস্ততা নেই। সে আকাশের দিকে তাকিয়ে মেঘ দ্যাখে, বৃষ্টি হলে দুহাত প্রসারিত করে বৃষ্টি ধরে। তারপর সেই বৃষ্টিস্নাত হাতটা মুখে মাখে, নদীর ধারে যায়, নদী দ্যাখে।
ছেলেটা মহাব্যস্ত জেনেও মেয়েটা ফোন করে।
ফোন করে ভাবে, ব্যস্ত ছেলেটা কী ফোন ধরবে? ওমা! ধরলোতো।
রিসিভ করলে মেয়েটা বলল, একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।
- কী কথা?
- কী করছো?
- বিয়ের কেনাকাটা।
- শাড়ি?
- শাড়ি, সাথে আরও সব।
- কার?
- কার আবার! ঘরে যে নতুন আসবে তার।
- আর?
- উফ! বললামতো সব।
- বিরক্ত হচ্ছো?
- না।
- উফ! বললে কেন?
- উফ! ঠিক আছে আর বলবোনা। তোমার গুরুত্বপূর্ণ কথাটা বলো।
- আমি জানি বিয়েটা মেয়েটার বাড়িতে হচ্ছেনা।
- তো? কোথায় হচ্ছে জানতে চাও?
- না না। খবরদার আমাকে বলবেনা।
- কেন?
- আমি যদি বিয়ের সময় হাজির হয়ে যাই! যদি ওখানে গিয়ে পাগলামী করি? যদি তোমাকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া করি?
- তুমি করবেনা আমি জানি।
- না না। আমিতো পাগলি। পাগলিরা কখন কী করে তা তারা নিজেরাও জানেনা।
- এটাই তোমার গুরুত্বপূর্ণ কথা?
- না।
- তো?
- আজকের পর আমি যদি তোমাকে ফোন করি তাহলে তুমি রিসিভ করবেনা।
- আচ্ছা।
- শোনোনা, আমি কিন্তু বারবার ফোন করব। আমার নিজের ভেতর কোন কন্ট্রোল থাকবেনা। কিন্তু তুমি ফোন রিসিভ করবেনা। আমি কিন্তু শত শত ম্যাসেজ করবো, তুমি ম্যাসেজগুলো ওপেন করবেনা। কারন ম্যাসেজ পড়ে তুমি ইমোশনাল হয়ে যেতে পারো। তোমার মন খারাপ হয়ে যেতে পারে।
- গুরুত্বপূর্ণ কথা শেষ?
- না। আরো আছে।
- বলো।
- বিয়ের আগের দিন তুমি সিম চেইঞ্জ করে নিও, ঠিক আছে?
- কেন?
- আমারতো মাথা ঠিক থাকবেনা। আমি বারবার ফোন করবো। এরচেয়ে তোমার নাম্বার বন্ধ পেলে সেটাই ভাল। আর হ্যাঁ আমি বারবার ফোন করাতে যদি তোমাকে কেউ জিজ্ঞেস করে কে ফোন করছে, তুমি বলবা আননোন নাম্বার, বখাটে ছেলে ডিস্টার্ব করছে।
- হু।
- আর শোনোনো।
- বলো।
- তুমি নাম্বার চেঞ্জ করলেও কিন্তু আমি নাম্বার খোঁজার চেষ্টা করবো। তোমার যে বন্ধুদের আমি চিনি তাদের কাছে তোমার নতুন নাম্বার দিওনা। আর দিলে ওদের বলে দিও ওরা যেন আমাকে তোমার কোন ইনফরমেশন না দেয়।
- হু।
- আর একটা কথা। কেউ কেউ তোমার কাছে বলতে পারে আমি ভালো নেই বা অসুস্থ হয়ে গেছি। তুমি কিন্তু এটা ভেবে মন খারাপ করবেনা। আমি কিন্তু ভালোই থাকবো। আর অসুস্থ বা মন খারাপ হলেইবা কী! বাবা-মা মরে গেলেও তো মানুষ বেশিদিন খারাপ থাকেনা, তাইনা? আমি হয়তো কয়েকদিন মুখ ভার করে থেকে তারপর দিব্যি সুস্থ হয়ে যাবো। তুমি একদম চিন্তা করবেনা। ঠিক আছে?
মেয়েটা আর কথা বলতে পারেনা। সে ফোন কেটে দেয়। তার দু-চোখ বেয়ে অঝোরে জল পড়তে থাকে।
মেয়েটা আবার ফোন করে।
ছেলেটা রিসিভ করেনা।
মেয়েটা আবারো ফোন করে।
ছেলেটা কস্ট পায় কিন্তু রিসিভ করেনা।
মেয়েটা ম্যাসেজ পাঠাই, প্লিজ, একবার রিসিভ করো, প্লিজ...।
ছেলেটা ম্যাসেজ খোলার সাহস পায়না। সে জানে ঐ ম্যাসেজের মধ্যে কী লেখা আছে!
মেয়েটা আবার ফোন করে।
ছেলেটা ফোন কেটে দিয়ে ফোনটা অফ করে।
শপিংয়ের তালিকায় যুক্ত করে, নতুন সিম!।
বড্ড ভালোলাগে তোমার বকুনি
![]() |
মেয়ে - হ্যা কমে তো গেছিল কিন্তু কাল রাতে আবার আইসক্রিম খেয়েছিলাম তাই আবার বেড়েছে।
ছেলে - কি! তুমি পাগলি নাকি? আচ্ছা তুমি এমন কেন করলে? এত বেখেয়ালি? এখন মনে হচ্ছে তোমার গালে একটা চড় মারি। তুমি না লেখাপড়া কর? তারপরও কেন অশিক্ষিতর মত কাজ কর? আমার অবাক লাগছে তোমার মতো একটা স্টুপিডের সাথে আমি প্রেম করি।
এই মেয়ে নিজেকে কি মনে কর তুমি? তোমার ইচ্ছে মত সব হবে? তোমার লাইফ তোমার একার না? তাহলে আমার সাথে কেন প্রেম করো? কেন আইসক্রিম খেয়েছিলে? আমাকে উওর দাও?
মেয়ে - হাহাহাহাহা.... তুমি না! সত্যি বলছি আমি আইসক্রিম খাইনি। তোমার কাছথেকে বকা খাওয়ার জন্য মিথ্যে বলেছি, সরি জান।
তুমি যখন আমাকে এইভাবে বকা দাও তখন তোমার চোখে এই রাগের মাঝে আমি ভালোবাসা দেখতে পাই। তখন নিজেকে পৃথিবীর সব থেকে সুখি মেয়ে মনে হয়।
ছেলে - তুমি একটা ইডিয়ট, একটা স্টুপিড, একটা পাগলি। আর আমার জান, আমার ভালোবাসা।
মেয়ে - তাহলে চলো আমরা আইসক্রিম খাই।
ছেলে - কি? এই জ্বরের মধ্যে...! তুমি সত্যিই একটা পাগলি!
একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে বলল, তবুও আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ছেলেটার কিছু অগোছালো কথা
মেয়েটা পাখি হতে চাইল, আমি বুকের বাঁদিকে আকাশ পেতে দিলাম।
দু-চার দিন ইচ্ছে মতো ওড়াওড়ি করে বলল, তার একটা গাছ চাই।
মাটিতে পা পুঁতে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম।
মাটিতে পা পুঁতে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম।
এ ডাল সে ডাল ঘুরে ঘুরে সে আমাকে শোনালো অরণ্য বিষাদ।
তারপর টানতে টানতে একটা পাহাড়ি ঝর্ণার কাছে নিয়ে এসে বলল, তারও এমন একটা পাহাড় ছিল।
সেও কখনো পাহাড়ের জন্য নদী হোতো।
সেও কখনো পাহাড়ের জন্য নদী হোতো।
আমি ঝর্ণার দিকে তাকিয়ে মেয়েটিকে বললাম, নদী আর নারীর বয়ে যাওয়ায় কোনও পাপ থাকে না।
সে কিছু ফুটে থাকা ফুলের দিকে দেখিয়ে জানতে চাইল, কি নাম?
বললাম, গোলাপ।
বললাম, গোলাপ।
দুটি তরুণ তরুণীকে দেখিয়ে বলল, কি নাম?
বললাম, প্রেম।
বললাম, প্রেম।
তারপর একটা ছাউনির দিকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলো, কি নাম?
বললাম, ঘর।
বললাম, ঘর।
এবার সে আমাকে বলল, তুমি সকাল হতে জানো?
আমি বুকের বাঁদিকে তাকে সূর্য দেখালাম।
আমি বুকের বাঁদিকে তাকে সূর্য দেখালাম।
ভালোবাসাই পাগোল ছেলের অগোছালো কথা বুঝতে না পারলে আমার কিছু করার নেই, সরি।
আমিও কিছু বুঝতে পারলাম না।
জীবন একটাই, ভালবাসুন আর উপভোগ করুন
কটা লোক মারা গেছে।
দেহত্যাগ করার মুহুর্তেই সে দেখলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বর একটা সুইটকেস হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসছেন।
তখন ঈশ্বর আর মৃত ব্যক্তির কথোপকথন...
ঈশ্বর - ঠিক আছে, এখন তোমার যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।
মৃত ব্যক্তি - এত তাড়াতাড়ি? আমার যে অনেক কাজ করার পরিকল্পনা ছিল প্রভু।
ঈশ্বর - আমি দু:খিত কিন্তু তোমার যে যাওয়ার সময় হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তি - আপনার হাতের ওই সুইটাকেসে কি আছে?
ঈশ্বর - এটাতে তোমার সব জিনিস রয়েছে।
মৃত ব্যক্তি - আমার জিনিস? মানে আমার জামা কাপড়, টাকা পয়সা এসব?
ঈশ্বর - না, ঐ জিনিসগুলো কখনই তোমার ছিল না, তাই তুমি ওসব পৃথিবীতে রেখে এসেছ।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে কি এটাতে আমার সব স্মৃতি রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার স্মৃতি রয়েছে তোমার অতিবাহিত সময়ের মধ্যে।
মৃত ব্যক্তি - তবে কি এটার মধ্যে আমার প্রতিভা রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার প্রতিভা তোমার পরিস্থিতির সাথে ছিল।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে কি এটাতে আমার বন্ধু আর পরিবারবর্গ রয়েছেন?
ঈশ্বর - না, তারাও তোমার পথে হাটছে, জীবন শেষে তারাও তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।
মৃত ব্যক্তি - তবে কি এটাতে আমার বউ বাচ্চা রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার স্ত্রী-পুত্র রয়েছে তোমার হৃদয়ের মাঝে।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে এটাতে নিশ্চয়ই আমার মৃতদেহ হবে?
ঈশ্বর - না না, তোমার মৃত্যদেহ তো ধুলিকনায় পরিনত হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে এটাতে আমার আত্মা রয়েছে!
ঈশ্বর - না, তুমি বারবার দু:জনক ভুল করছ, তোমার আত্মা তো রয়েছে আমার মধ্যে, তোমার আত্মা আমাতেই বিলীন হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তিটি তখন চোখের জলে নয়ন ভাসিয়ে ঈশ্বরের হাত থেকে সুইটকেসটা খুলে দেখে সেটা খালি, কিছুই নেই তার মধ্যে।
ভগ্ন হৃদয়ে অশ্রুসজল নয়নে সে ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করলো, এই সুদীর্ঘ জীবনে কিছুই কি আমার ছিল না? আমি কি জীবনে ও মরণে সব জায়গাতেই নি:স্ব?
ঈশ্বর বললেন - ঠিক বলেছো, সমস্ত জীবনে কিছুই তোমার ছিলনা আর এটাই ছিল তোমার ভ্রম।
মৃত ব্যক্তিটি আশাহত হয়ে জিজ্ঞেস করলো - তাহলে আমার কি ছিল?
ঈশ্বর বললেন - জীবনের মুহূর্তগুলি শুধু তোমার ছিল। যতটা মুহূর্ত তুমি বেঁচেছিলে সেই মুহূর্তগুলি শুধু তোমার ছিল।
জীবন শুধুমাত্র একটা মুহূর্ত। জীবনকে যাপন করুন, ভালবাসুন আর উপভোগ করুন।
দেহত্যাগ করার মুহুর্তেই সে দেখলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বর একটা সুইটকেস হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসছেন।
তখন ঈশ্বর আর মৃত ব্যক্তির কথোপকথন...
ঈশ্বর - ঠিক আছে, এখন তোমার যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।
মৃত ব্যক্তি - এত তাড়াতাড়ি? আমার যে অনেক কাজ করার পরিকল্পনা ছিল প্রভু।
ঈশ্বর - আমি দু:খিত কিন্তু তোমার যে যাওয়ার সময় হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তি - আপনার হাতের ওই সুইটাকেসে কি আছে?
ঈশ্বর - এটাতে তোমার সব জিনিস রয়েছে।
মৃত ব্যক্তি - আমার জিনিস? মানে আমার জামা কাপড়, টাকা পয়সা এসব?
ঈশ্বর - না, ঐ জিনিসগুলো কখনই তোমার ছিল না, তাই তুমি ওসব পৃথিবীতে রেখে এসেছ।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে কি এটাতে আমার সব স্মৃতি রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার স্মৃতি রয়েছে তোমার অতিবাহিত সময়ের মধ্যে।
মৃত ব্যক্তি - তবে কি এটার মধ্যে আমার প্রতিভা রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার প্রতিভা তোমার পরিস্থিতির সাথে ছিল।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে কি এটাতে আমার বন্ধু আর পরিবারবর্গ রয়েছেন?
ঈশ্বর - না, তারাও তোমার পথে হাটছে, জীবন শেষে তারাও তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।
মৃত ব্যক্তি - তবে কি এটাতে আমার বউ বাচ্চা রয়েছে?
ঈশ্বর - না, তোমার স্ত্রী-পুত্র রয়েছে তোমার হৃদয়ের মাঝে।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে এটাতে নিশ্চয়ই আমার মৃতদেহ হবে?
ঈশ্বর - না না, তোমার মৃত্যদেহ তো ধুলিকনায় পরিনত হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তি - তাহলে এটাতে আমার আত্মা রয়েছে!
ঈশ্বর - না, তুমি বারবার দু:জনক ভুল করছ, তোমার আত্মা তো রয়েছে আমার মধ্যে, তোমার আত্মা আমাতেই বিলীন হয়েগেছে।
মৃত ব্যক্তিটি তখন চোখের জলে নয়ন ভাসিয়ে ঈশ্বরের হাত থেকে সুইটকেসটা খুলে দেখে সেটা খালি, কিছুই নেই তার মধ্যে।
ভগ্ন হৃদয়ে অশ্রুসজল নয়নে সে ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করলো, এই সুদীর্ঘ জীবনে কিছুই কি আমার ছিল না? আমি কি জীবনে ও মরণে সব জায়গাতেই নি:স্ব?
ঈশ্বর বললেন - ঠিক বলেছো, সমস্ত জীবনে কিছুই তোমার ছিলনা আর এটাই ছিল তোমার ভ্রম।
মৃত ব্যক্তিটি আশাহত হয়ে জিজ্ঞেস করলো - তাহলে আমার কি ছিল?
ঈশ্বর বললেন - জীবনের মুহূর্তগুলি শুধু তোমার ছিল। যতটা মুহূর্ত তুমি বেঁচেছিলে সেই মুহূর্তগুলি শুধু তোমার ছিল।
জীবন শুধুমাত্র একটা মুহূর্ত। জীবনকে যাপন করুন, ভালবাসুন আর উপভোগ করুন।
ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে হবেনা
প্রেমিকা জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলে কি করবে তুমি?
ভুলে যাবো, ছেলেটা উত্তর দিলো।
ছেলেটার উত্তর শুনে মেয়েটি রাগে অন্যদিকে মুখ ঘোরালো।
ছেলেটি আবার বলল, তুমিও আমাকে ভুলে যাবে, সবচেয়ে বড় কথা, আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে যাবো, তার চেয়েও বেশি দ্রুত তুমি আমাকে ভুলে যাবে।
কি রকম? প্রেমিকা প্রশ্ন করলো।
ছেলেটি বলতে শুরু করল, "মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ, চারিদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ, মানুষের ভিড়, তুমি চাইলেও তখন আমার কথা মনে করতে পারবে না।
'আর আমি তখন তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়ত কোন বন্ধুর সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পড়ে থাকবো। আর তার কিছু পর তোমাকে হৃদয়হীনা বলে গালিদেব, আবার পরক্ষনেই পুরাতন স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবো।
বিয়ের পরের দিন তোমার আরো ব্যস্ত সময় কাটবে। আর প্রথম সপ্তাহে, স্বামী আর মিস্টির প্যাকেট এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়ি ঘুরে বেড়াবে। আমার কথা তখন তোমার হঠাত হঠাত মনে হবে। এই যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক সাথে গাড়িতে চড়ার সময়।
আর আমি তখন ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব, আর বন্ধুদের বলব বুঝলি ভাই, জীবনে প্রেম ভালোবাসা কিছুই না, সব মিথ্যে।
পরের একমাসে তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাড়ি পাবে, শপিং, ম্যাচিং, শত প্লান, আর স্বামীর সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি বিরাট সুখে, হঠাত আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার সাথে বিয়ে না হয়ে বোধহয় ভালই হয়েছে।
আমি ততদিনে বাবা, মা, বন্ধু কিংবা বাড়ির বড়দের বকা খেয়ে মোটামুটি সোজা হয়ে গিয়েছি। ঠিক করেছি কিছু একটা কাজ পেতে হবে, তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করে তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে।
সবাইকে বলব, তোমাকে ভুলে গেছি।
কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার এসএমএস গুলো বেরকরে পড়বো আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ব।
দুই বছর পর তুমি আর কোন প্রেমিকা কিংবা নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো, পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ-ভালোবাসা, এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার, হামের টীকা এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত অর্থাত তখন আমি তোমার জীবন থেকে মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে যাবো।
এদিকে ততোদিনে আমিও একটা কাজ পেয়েছি, বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে। আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত। এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে গিয়েছি।
শুধু রাস্তা ঘাটে কোন প্রেমিক-প্রেমিকা দেখলে তোমার কথা মনে পড়বে। কিন্তু তখন আর দীর্ঘশ্বাসও আসেবে না....।
এতদূর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখল তার প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ।
একটু পর প্রেমিকা বললো - "তবে কি সেখানেই সব শেষ?"
ছেলেটি বলল - না।
কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার স্বামী নাক ডেকে ঘুমুবে, আর আমার বউও ব্যস্ত থাকবে নিজের ঘুমরাজ্যে।
শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবেনা, সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশ্বদে কাঁদাবে।
ভগবান ব্যাতীত যে কান্নার কথা কেউ জানবে না, কেউ না...।
মেয়েটি ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল...]
প্রেমের পর বিয়ে, প্রেমের জয়]
আজকের পোস্টটা প্রেম আর বিয়ে সম্পর্কীয়,
তবুও অনেক মজার।
কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে ইচ্ছা হচ্ছে, কিন্তু না জানি কখন ওর ডাক এসে যায় সে জন্য গানটাও ঠিকমত শুনতে পাচ্ছিল না।
উকিলের একটা লোক এসে মেয়েটিকে বলল, দিদি, উকিল সাহেব আপনাকে ডাকছে।
উকিল সাহেবের রুমটা বেশ সাজানো পরিপাটি, চারিদিকে সেলফ, মাঝখানে একটা বিশাল ডেক্স, আর দুটো কম্পিউটার রয়েছে।
মেয়েটি উকিল সাহেবের ডেক্সের সামনে দাড়াল।
সাদা-কালো দাড়ি-গোফওয়ালা উকিল তার নাকের ডগায় থাকা চশমার আধা ফোকর দিয়ে মেয়েটির দিকে তাকালেন, বললেন বসো। (লোকটাকে বেশ রাশভারী আর রাগী বলে মনে হল)
মেয়েটি উকিলের সামনের চেয়ারে বসে পড়ল।
- কি সমস্যা?
- আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসি।
- সেটা আমাকে কেন বলতে এসেছো, ছেলেটাকে বলো গিয়ে যাও!
- 3 বছর আগেই বলেছি।
- সে কি মেনে নিয়েছে?
- তিন বছর আগেই মেনে নিয়েছে।
- তাহলে কি সমস্যা?
- আমরা বিয়ে করতে চাই।
- করে ফেল।
- কিন্তু এখানেই সমস্যা।
- সেটা কি?
- ছেলে তার বাবাকে খুব ভয় পায়।
- তোমার বয়স কত?
- ২০, আর ছেলের বয়স ২৪।
- তাহলে তোমরা দুজনেই তো প্রাপ্তবয়স্ক , তাহলে আবার কি সমস্যা?
- ছেলে ভয় পায় তার বাবা পরে যদি কোন ঝামেলা করে। তাই আমি এসেছি আপনার কাছে সহায়তা চাইতে যাতে পরে কোন সমস্যা না হয়।
- দেখ মেয়ে, সংবিধানেই লেখা আছে যে ১৮ বছর হলেই সে মেয়ে/ছেলেকে সাবালক বলে গন্য করা হয়। এসময় তারা তাদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে তাতে কেউ বাধা দিতে পারে না।
- কিন্তু এরপর যদি ছেলের বাবা কোন আইনি ঝামেলা করে?
উকিল এবার চেয়ার ছেড়ে উঠলেন, বাম পাশের সেল্ফ থেকে একটা বই নিয়ে কিছু পাতা উল্টালেন,
- আঙ্কেল, ওর বাবা যদি ওকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়? সকল সম্পত্তি থেকে ওকে বিতাড়িত করে দেয়, তাহলে..
উকিলের মাথায় চুল নেই, তাও হাতের কলম দিয়ে মাথা চুলকালেন, তারপর অনেকক্ষন কিছু বই ঘাঁটলেন, এরপর মেয়েটিকে এক ঝাঁক আইনের নিয়ম দ্বারা বুঝালেন যে সেক্ষেত্রে ছেলে ইচ্ছা করলে মানবাধিকার খর্ব করার অপচেষ্টার অভিযোগ করতে পারে তার বাবার বিরুদ্ধে এবং তখন তার বাবা বাধ্য তার অধিকার ফিরিয়ে দিতে।
- তাহলে সব বিষয় দেখে বুঝলাম জয় আমাদেরই হবে, মানে আমাদের প্রেমের জয়। মেয়েটি জিজ্ঞেস করলো, আর কোন বাধা নেই তো আমাদের বিয়েতে?
- নাহ, তুমি নিশ্চিন্ত থাকো।
- তাহলে আপনি বলছেন আপনার ছেলে আমাকে বিয়ে করলে আপনি কোন ঘন্টাই করতে পারবেন না, তাই তো?
- মানে?
- মানে আমি আপনার ছেলেকে বিয়ে করতে চলেছি...
আর নয়, বাকিটা বাকি থাক।














No comments:
Post a Comment