উফফ! প্রেম কি অসম্ভব বেদনাদায়ক
একটা খবর হয়ত আপনার চোখে পড়েছে,
দুজন প্রেমিক প্রেমিকা পারিবারিক কোনও সমস্যার কারনে একসাথে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে।
খবরটা আমিও বিস্তারিতভাবে পড়িনি, জাস্ট হেডলাইনটুকু।
তবে এটা সত্যিই যে প্রেম করলে এমন অবস্থার মধ্যে পড়তেই হয়, মাঝে মাঝে মনে আসবেই এমন কথা।
আমারও এমন অবস্থা, তবে এখনও যে চলে যাইনি সেটা তো বুঝতেই পাছেন।
তো আজ আপনাদের এমনই একটা মর্মস্পর্শী গল্প আপনাকে শোনাব। চলুন শুরু করা যাক।
সুমি এখন নবম শ্রেণীতে পড়ে।
প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় ১টা ছেলে তার দিকে তাকিয়ে থাকে সে লক্ষ করে। ছেলেটির নাম সুমন।
সুমন প্রায় ১ বছর ধরে ভালবাসে সুমিকে, কিন্তু বলতে পারে না।
কারণ সুমি খুব ধনী পরিবারের মেয়ে। আর সুমন গরিবের ছেলে।
আজ ১৪ ফ্রেব্রয়ারি।
আজ ১৪ ফ্রেব্রয়ারি।
সুমন সাহস করে বললো,
"আমি তোমাকে ভালবাসি সুমি। যদিও আমি জানি তুমি আমায় ভালবাসতে পারবেন না।" কথাগুলো বলে সুমন চলে গেল।
"আমি তোমাকে ভালবাসি সুমি। যদিও আমি জানি তুমি আমায় ভালবাসতে পারবেন না।" কথাগুলো বলে সুমন চলে গেল।
এইভাবে একটা বছর চলে গেল।
এখন দশম শ্রেণীতে সুমি। সে লক্ষ করে আজও সুমন তার জন্য রাস্তায় অপেক্ষা করে।
সুমি আস্তে আস্তে সুমনের প্রেমে পড়ে যায়।
তাই একদিন সুমি বলেও দিলো তার মনের কথা।
দুজনের প্রেম চলতে লাগল ১ বছর।
তাই একদিন সুমি বলেও দিলো তার মনের কথা।
দুজনের প্রেম চলতে লাগল ১ বছর।
এই ১ বছরের মাঝে দু'জন কখনো একাকি দেখা করেনি, কেউ কারো হাত ধরে রাস্তাতেও চলেনি।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সুমির বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সুমির বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
কিন্তু সুমি বিয়েতে রাজি না। কারণ সুমি সুমনকে ছাড়া আর কেউকে নিজের স্বামি হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে না।
সুমি ফোন করল সুমনকে...
-হ্যালো সুমন।
-হ্যা বলো।
-তুমি আজ রাতে আমাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে পারবে?
-হ্যালো সুমন।
-হ্যা বলো।
-তুমি আজ রাতে আমাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে পারবে?
-কেন? হঠাৎ করে কি হল?
-আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে এই বলে সুমি কান্না করে ফেলল।
-আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে এই বলে সুমি কান্না করে ফেলল।
-কান্না করোনা সুমি, আমি তোমাকে নিয়ে যাব।
ওরা ঠিক তাই করলো। সকালে দুজন বিয়ে করে সুমনদের বাড়ি চলে আসলো।
ওরা ঠিক তাই করলো। সকালে দুজন বিয়ে করে সুমনদের বাড়ি চলে আসলো।
সুমনের পরিবার থেকে কোন সমস্যা নেই কিন্তু এদিকে সুমির পরিবার সব জেনে গিয়ে সুমনের নামে ও তার পরিবারের নামে পুলিশে কমপ্লেন করলো।
তবে সুমির বক্ত্যব্যের কারণে কোন কিছু হলো না সুমন ও তার পরিবারের।
তবে সুমির বক্ত্যব্যের কারণে কোন কিছু হলো না সুমন ও তার পরিবারের।
সুমির বাবা সুমিকে উদ্দেশ্যে করে বলল, "আজ থেকে আমার কোনো মেয়ে নেই।"
সুমির নামে ব্যাংকে বেশ কিছু টাকা ও জমি ছিল, তা সব তার বাবার নামে করে দিল।
সুমির নামে ব্যাংকে বেশ কিছু টাকা ও জমি ছিল, তা সব তার বাবার নামে করে দিল।
সুমন সুমিকে বলল যে, সুমির বাবার টাকার প্রতি তার কোন লোভ নেই।
ভালো যাচ্ছিলো তাদের জীবন।
সংসার ৭ মাস। সুমি গর্ভবতী, তার পেটে ৩ মাসের বাচ্চা।
সংসার ৭ মাস। সুমি গর্ভবতী, তার পেটে ৩ মাসের বাচ্চা।
একদিন সুমির কাকা এসে বলল, "সুমন, সুমির মা খুব অসুস্থ সুমিকে দেখতে চাইছে, আমি দু'দিন পর ওকে দিয়ে যাব।"
সুমি বলল, "আমি সুমন কে ছাড়া যাব না।"
সুমন বলল, "যাও না, দুদিন পরই তো চলে আসবে।"
অনেক বোঝানোর পর রাজি হয় সুমি।
সুমন বলল, "যাও না, দুদিন পরই তো চলে আসবে।"
অনেক বোঝানোর পর রাজি হয় সুমি।
সুমি অনেকক্ষণ ধরে সুমনকে জরিয়ে ধরে।
সুমন সুমির কপালে চুমু দিয়ে বলে, "পাগলী বউ আমার।"
তারপর সুমির বাপের বাড়ি এসে যা হলো তা কল্পনা করা যায় না!
তারপর সুমির বাপের বাড়ি এসে যা হলো তা কল্পনা করা যায় না!
সুমির বাবা সুমিকে জোর করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞান করে তার বাচ্চা নষ্ট করে দেয়।
তাকে দিয়ে জোর করে ডিভোর্স পেপারে সাইন করানো হয়।
ডাক্তার তার মা-বাবাকে বলে যে তাকে রেস্টে রাখতে।
আজ দুদিন সুমি কারো সাথে কথা বলে না, শুধু একা একা কাঁদে।
ডাক্তার তার মা-বাবাকে বলে যে তাকে রেস্টে রাখতে।
আজ দুদিন সুমি কারো সাথে কথা বলে না, শুধু একা একা কাঁদে।
সুমির দাদা - বাবা কেউ বাড়ি নেই। সুমির মা একটু পাশের বাড়ি গেছে।
সুমি বাড়িতে একা নিজের ঘরের দরজা দিয়ে হাত কেটে রক্ত দিয়ে লিখলো, "এই পৃথিবীতে আমার আপন বলতে একজন আছে সে আমার সুমন। মা তুমি একটা মেয়ে হয়ে আমার স্বামীর ঘর ছাড়া করলে! তুমি এক মা হয়ে আমাকে মা হওয়া থেকে বঞ্চিত করতে পারলে?"
এতটুকু লিখেই সুমি আত্মহত্যা করে।'মুখ দেখে মানুষ চেনা যায়না
ভালো মানুষেরা কখনই বলে বেড়াই না যে সে ভালো।
তারা ক্রেডিট নিতেও চাই না, কিন্তু খারাপ কিছু ধান্দাবাজ লোক অন্যের ক্রেডিট নিজের বলে চালিয়ে দেবে।
আপনি বুঝতেও পারবেন না যে সে খারাপ লোক। কারন তার কথায় বেশ পটু হয়।
যাই হোক আজকের গল্প শুরু করি।
অটোতে করে একটা কাজে যাচ্ছিলাম।
একটু পরেই একটা মেয়ে হাত নেড়ে অটো থামালো।
মেয়েটা উঠে আমার পাশের সিটটাতে বসল। কিউট একটা মেয়ে। সুন্দর করে চুলগুলো আঁচড়ানো।
একটু পরপরই আমার হাতের হ্যান্ডসেটটার দিকে তাকাচ্ছে।
না, আপনি যা ভাবছেন তা নয়। ও আসলে একটা বাচ্চা মেয়ে। বয়স হয়তো ছয় বছর হবে।
আমি বললাম "বারবার মোবাইলের দিকে তাকাচ্ছো কিছু বলবে?"
মেয়েটি হাসি দিয়ে বলল "আমার বাবার ফোনটাও আপনারটার মত আংকেল।"
মেয়েটার মুখে সুন্দর করে আংকেল ডাক শুনতে ভালোই লাগলো। বললাম "কোথায় যাবে?"
বলে "যেখানে অটো থামবে সেখানে। আটো ড্রাইভার আংকেল আমার বাবাকে চেনে। বাবা ওখানেই দাঁড়িয়ে আছে আমার জন্য"।
বাহ! মেয়েটাতো ভারী সুন্দর করে কথা বলতে পারে। কথা বলতে বলতে অটোর গন্তব্য শেষ। আমিও নামলাম, নামলো মেয়েটাও।
একটু দূরেই দেখি আমার পুরনো একটা ফ্রেন্ড দাড়িয়ে আছে। কাছে যেতেই আমাকে জড়িয়ে ধরল।
অনেক দিন পর দেখা আপ্লুত হয়ে বলে - কতদিন পর দেখা। কেমন আছিসরে?
- ভালোই। তুই কেমন ?
- আমিও ভালো। আচ্ছা তুই ওই অটোটা করে এলিনা?
- হ্যা।
- ওটাতে একটা বাচ্চা আসার কথা।
- একটা বাচ্চা এসেছে। তোর কি হয়? ছোট বোন?
- আরে না।
- ভাতিজি?
- না।
- তাহলে?
- ও আমার মেয়ে। আমার পৃথিবী।
বেশ অবাক হলাম!
বললাম, বলিস কি তুই বিয়ে করেছিস। আবার এতবড় একটা মেয়েও!
ততক্ষনে পাপা বলে মেয়েটা দৌড়ে এসে ওর বাবাকে আঁকড়ে ধরলো। বেশ শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। বুকের সাথে মিশিয়ে নিল বাচ্চাটাকে।
একটা হোটেলে ঢুকলাম। বাচ্চাটা খাচ্ছিল। বন্ধুর মুখটা বেশ মলিন। আমার সিটে ওকে ডেকে আনলাম যাতে বাচ্চাটা যেন কিছু না শোনে।
বললাম, আসলে মেয়েটা কে? কেন যেন আমার বিশ্বাস হচ্ছেনা তোর মেয়ে!
"আসলে আমার দাদার মেয়ে। ওর মায়ের বিয়ের পাঁচ মাস পর ওর বাবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।
ওর ভাগ্যটা এতই খারাপ যে, জন্মের সাত মাস পর মাকেও হারায়। তুইতো জানিস আমার বাবা মা নেই। আমি তখন একা আর ওর ববাতো পাগলই।
সবাই যখন মেয়েটাকে অন্য কাউকে দেবার কথা ভাবছে। কেউ কেউ নেবার জন্য এসেছিলও।
কেন যেন আমার কাছে খুব কষ্ট লেগেছিল। আমি কাউকে দেইনি ওকে। নিজের হাতে ওকে বড় করতে লাগলাম।
আজ ও এত বড় হয়েছে। বুঝতে শেখার পর থেকেই ওর বাবাকে দেখলে ভয় পায়। আমাকেই বাবা বলে ডাকে।
জানিস আমাকে যখন বাবা বলে ডাকে আমি সব কিছু ভুলে যাই। ও এক নাগাড়ে বলতে বলতে কেঁদে ফেলল।
মেয়েটা উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলে "কাঁদছো কেন পাপা?"
কোনভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল "কিছুনা মা। চোখে কি যেন পড়েছে"।
বাচ্চা এই মেয়েটা বাবাকে ওড়না মুখে নিয়ে ফুঁ দিয়ে গরম করে চোখ মুছে দিচ্ছে।
আমি একটি কথাও বলতে পারিনি। চুপচাপ বন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিলাম। ঠিকানাটা রেখে দিলাম। অবশ্যই সময় অসময়ে যাবো।
মেয়েটার প্রতি আমারও বড্ড মায়া পড়ে গিয়েছে।
ভালো মানুষকে, পরিস্থিতি আমাদের সামনে তুলে ধরে। কখনো কখনো ভালো মানুষের মানুষিকতা প্রকাশের জন্য কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়না।
আর আমরা জানতেও পারিনা চোখের সামনে থাকা একটা মানুষও হতে পারে মহত্বের প্রতীক।
হাইকোর্টের উকিল - মজার গল্প]
আজকের মজার গল্পের নাম তো বুঝতেই পারছেন।
তাহলে শুরু করছি আজকের গল্প "হাইকোর্টের উকিল"।
মধ্য রাতে শহর থেকে অনেক দুরে হাইকোর্টের এক উকিলের গাড়ি বিগড়ে গেল।
অনেক খোজাখুজির পর একটা ফার্ম হাউজের সাইন বোর্ড চোখে পড়ায় একটু আশার আলো দেখতে পেলেন তিনি।
সেই ফার্ম হাউজের দিকে গেলেন একটু সাহায্যের প্রত্যাশায়।
সেখানে গিয়ে ডাকাডাকি করতেই এক সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন - "দেখুন আমি এখানে একা থাকি, গ্যারেজ তো আর সকালের আগে খুলবে না, কারণ ওরা গ্যারেজ বন্ধ করে চলে গেছে।"
আপনাকে সকাল পর্য্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
উকিল বললেন - ঠিক আছে, কিন্তু আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি পুরো রাতটা কাটাবার জন্য দয়া করে আমাকে একটু স্থান দিন।
সুন্দরী মহিলা বললেন - কিন্তু স্যার, আমি যে এখানে একা থাকি।
উকিল বললেন - আপনার ভয় পাবার কোন কারণ নেই, আমি একজন হাইকোর্টের উকিল।
সুন্দরী মহিলাটি বললেন - কিন্তু স্যার, এখানে শুধু একটাই বেডরুম আছে এবং সেটা আমি ব্যবহার করি।
উকিল বললেন - বললাম তো ভয়ের কিছুই নেই, আমি হাইকোর্টের উকিল।
তখন তারা দুজন বেডরুমে ঢোকার পর মহিলাটি বললেন - কিন্তু স্যার এখানে তো একটাই বেড আছে!
উকিল বললেন - ভয়ের তো কিছু নেই, আমি হাইকোর্টের একজন উকিল।
অতপর তারা একজন আরেকজনের দিকে পিছন ফিরে একই বেডে শুয়ে রাতটা কাটিয়ে দিলেন।
পরদিন সকালে উঠে উকিল ওই মহিলার সাথে ফার্ম হাউজের দিকে এক চক্কর দিলেন। তারা দেখলেন ফার্ম হাউসের পাশে একটা মুরগির খাঁচা পড়ে আছে, খাঁচাটির কাছে গিয়ে উকিল দেখলেন, সেখানে ২০ টা মুরগী আর ৬০ টি মোরগ রয়েছে, উকিলের মনে একটা খটকা লাগলো।
তিনি ওই মহিলাটিকে বললেন - ৬০ টা মোরগ আর মাত্র ২০ টা মুরগী! আপনার মনে কি কোন খটকা লাগছে না?
মহিলাটি বললেন - এতে খটকা লাগার কি হলো? তাছাড়া এই ৬০ টি মোরগের মধ্যে মাত্র ১০ টিই কাজের।
উকিল জিজ্ঞেস করলেন - তাহলে বাকি ৫০ টা?
মহিলাটি বলল - বাকীরা সব হাইকোর্টের উকিল। :D :D
সাথে ছিলাম, আছি, থাকব...
একটি ছেলে তিন বছর সম্পর্কের পর মেয়েটাকে বলছে...
ছেলেঃ আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ভালোবাসি না।
মেয়েঃ কি??
ছেলেঃ হ্যা, আমি আমার জীবনকে তোমার সাথে থেকে নষ্ট করতে পারবো না।
মেয়েঃ তুমি এসব কি বলছ?? এই রকম কোরোনা আমার সাথে। প্লিজ... আমার ভুলটা কোথায়? প্লিজ বল...
ছেলেঃ আমি ব্রেক আপ চাচ্ছি।
মেয়েঃ আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না জান, প্লিজ আমাকে একা ফেলে যেওনা...
ছেলেঃ কিন্তু আমার ব্রেক আপ চাই। এটা বলে ছেলেটা চলে গেল। মেয়েটি রাতে অনেক কান্নাকাটি করল। সে বুঝে উঠতে পারছেলিনা যে সে কি হারিয়েছে।
এই রকম কিছু দিন যাওয়ার পরও ছেলেটি মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করলনা।
তখন মেয়েটি নিজেকে অনেক শক্ত করল। এবং সে তার বাব-মা কে তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্যে পাত্র দেখতে বলল। সে অন্য একটি ছেলে কে বিয়ে করল। সে সবসময় ভাল থাকার চেষ্টা করত কিন্তু পারত না। এমনকি তার বিয়ের পরও প্রত্যেক রাতে সে কাঁদত সেই ছেলেটির জন্যে যে তাকে অন্ধকারে একা রেখে চলে গেছে।
সে এখনো বিশ্বাস করে তার সেই মানুষটি তার কাছে আসবে, এবং তাকে নিয়ে একসাথে থাকবে কিন্তু তা আর হল না।
বিয়ের ২ বছর পর মেয়েটি ছেলেটির বাড়িতে গেল তার বোনের সাথে দেখা করতে।
তার বোন তাকে ছেলেটির রুমে নিয়ে গেল এবং তার হাতে একটি চিঠি দিল এবং কাঁদতে কাঁদতে বলল, যে তার দাদ ২ বছর আগে মারা গেছে।
মেয়েটি বাড়িতে গেল ,তারপর চিঠিটি খুলে পড়তে লাগলো "সোনা আমি জানি তুমি এখনো আমার জন্যে অপেক্ষা করছ, কিন্তু সেটা হয়ত আমাদের নিয়তিতে ছিল না।
তুমি মন খারাপ করো না, আমি এই কাজ করেছি শুধু তোমাকে শক্ত করার জন্যে, তোমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্যে। ডাক্তার স্পষ্ট করে বলেই দিয়েছিল আমার বাঁচার কোন পথ নেই।
কখনো নিজেকে দোষারোপ কোরো না কোন কিছুর জন্যে।
তবে আমি তো এখনো বেচে আছি তোমার হৃদয়ের মাঝে। আছি না? এবং তোমার ভালবাসা কখনো হারাবে না।
আশা ছেড়ো না, সবসময় হাসি খুশি থাকবে, তুমি জানো আমি তোমার হাসি মুখটা দেখতে অনেক ভালোবাসি।
আমি সব সময় তোমার সাথে ছিলাম, আছি , থাকব।
ভলোবাসার মানুষটিকে অবহেলা কোরো না
পোস্টের টাইটেল দেখে আশা করি লেখাটা কেমন হবে হালকা বুঝতে পারছেন।
তবে সাথে থাকছে আর একটি মজার ছোট গল্প।
শুরু করছি, আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
যে মানুষটা তোমাকে প্রচন্ড পরিমাণে ভালোবাসে,
সেই মানুষটাকে ইচ্ছা করে কখনো অবহেলা করো না।
হ্যাঁ, তুমি অবহেলা করলে সে কষ্ট পাবে ঠিকই কিন্তু কষ্ট পেয়েও সে তোমাকে ক্ষমা করে দেবে।
তোমার কাছেই ফিরে আসবে।
তুমিই তার দুর্বলতা - এটা জেনে ইচ্ছা করে তাকে কষ্ট দিও না।
"যত যা-ই করি, ও তো দিনশেষে আমার কাছেই ফিরে আসবে" - এটা চিন্তা করে তার আবেগ নিয়ে নিষ্ঠুরের মত খেলার অধিকার তোমার নেই।
কারো দুর্বলতা জেনে নিয়ে তাকে আঘাত করে মজা পাওয়ার অধিকার তোমার নেই।
কারণ যতটুকু সময় তুমি মানুষটাকে স্বেচ্ছায় অবহেলা করছো বা দূরে থাকছো আর কষ্ট দিচ্ছো, ঠিক ততটুকু সময়ই সে শিখছে এবং জানছে কিভাবে তোমাকে ছাড়াই বেঁচে থাকা যায়।
একদিন সে শিখে ফেলবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচার উপায়, একদিন সে জেনে যাবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচাটা অসম্ভব না।
সেদিন সে আর ফেরত আসবে না। তোমার দেয়া টুকরো টুকরো কষ্ট একসাথে তুমি ফেরত পেয়ে যাবে সেদিন।
বুঝতে পারবে, কি ভয়ঙ্কর ভুলই না ভেবেছিলে তুমি। সেদিন অনেক দেরি হয়ে যাবে...অনেক দেরি...!!
তো ভালোবাসার মানুষটিকে অবহেলা করে দূরে সরিয়ে রাখবেন না
বা
একটু কষ্ট দিতে তার থেকে দূরে যাওয়ার নাটকও করবেন না।
সব সময় তার পাশে থাকুন, সাথে থাকুন, ভালোবাসুন তাহলে সুখে থাকতে পারবেন সারা জীবন।
এবার আসছি মজার একটি গল্পে...
একদা এক বিবাহিত রমনী হাটতে হাটতে ফাঁদে আটকানো এক ব্যাঙ কে দেখে উদ্ধার করল।
ব্যাঙ খুশী হয়ে রমনীকে তিনটা ইচ্ছা প্রকাশ করতে বলল, যা সে পূরন করবে কিন্তু শর্ত হলো রমনীর পুরনকৃত ইচ্ছার চেয়ে ৫ গুন তার স্বামীকে প্রদান করবে।
রমনী খুশী হয়ে তার প্রথম ইচ্ছার কথা প্রকাশ করল, "আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতে চাই।"
ব্যাঙ বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন সুন্দর হবে।"
রমনী বলল,"সে আমার স্বামী, আমি তাকে সুন্দর দেখতেই চাই।"
ব্যাঙ রমনীর স্বামীর প্রতি প্রেম দেখে খুশী হল এবং তার প্রথম ইচ্ছা পূরন করলো।
রমনী এবার তার দ্বিতীয় ইচ্ছা প্রকাশ করল, "আমি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা হতে চাই।"
ব্যাঙ বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন ধনী হবে।"
রমনী বলল, "সে আমার স্বামী, তার সম্পদ তো আমারই সম্পদ, আবার আমার সম্পদও তো তার।"
ব্যাঙ খুশী হয়ে তার দ্বিতীয় ইচ্ছা পূরন করলো।
রমনী এবার ভেবে-চিন্তে তার তৃতীয় ইচ্ছার কথা প্রকাশ করল, "আমি চাই আমার মাঝারী ধরনের একটা হার্ট এটাক হোক।"
ব্যাঙ অবাক হয়ে গেল এবং বলল, "চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামীর কিন্তু ৫ গুন বেশি হবে এবং সে মারা যাবে।"
রমনী বলল, "তা নিয়ে চিন্তা নাই, আরেকটা পেয়ে যাবো!"
মহিলাদের বুদ্ধি
আজকের গল্পটাও মজার।
তবে মহিলারা আবার রাগ করবেন না কিন্তু।
একবার সব মহিলারা পুরুষের বিরুদ্ধে বিদ্রহ করে স্বয়ং ব্রহ্মার কাছে গিয়ে উপস্থিত হলেন।
তারা নারী ও পুরুষের সমানাধিকার নিয়ে ব্রহ্মার কাছে অনেকগুলো দাবি রাখলেন।
তার মধ্যে যে উল্লেখযোগ্য দাবি ছিল, সেটি হল...
বাচ্চাকে ৯ মাস পেটের মধ্যে আমরা ধারণ করি, অনেক ব্যথা-বেদনা সয়ে বাচ্চা প্রসব করি, আর নাম হয় বাপের! লোকে বলে অমুকের বাচ্চা এসব আর চলবে না।
এই দাবি নিয়ে অনেক দীর্ঘ লড়াই হলো, সমাধান সূত্রও বের করার প্রচেষ্টা চলল।
তারপর একসময় একটা সিদ্ধান্তে পৌছানো গেল।
স্থির হল যে, বাচ্চা মহিলারাই প্রসব করবেন, তবে প্রসব বেদনা ভোগ করতে হবে পুরুষদের।
এখন শুধু অপেক্ষার পালা।
এরই মধ্যে খবর পাওয়া গেল যে ফটিকের বৌয়ের নাকি বাচ্চা হবে। নিদৃষ্ট দিনে মানুষের ভিড় লেগে গেল।
ডাক্তারের পুরো প্যানেল ফটিককে ঘিরে বসে থাকলো। সবাই ফটিকের প্রসব বেদনার জন্য ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।
এমন সময় খবর এলো যে, বাইরে ফটিকের ড্রাইভারটা নাকি পেটের ব্যথায় মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছে!
পুরো জনতা আর ডাক্তার দৌড়ে ড্রাইভারের কাছে চলে এলেন। ডাক্তারের অনেক প্রচেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলো। ড্রাইভারের ব্যথা কমল, আর তখন এদিকে ফটিকের বৌ বাচ্চার জন্ম দিল।
পরের দিন...
সব মহিলারা একত্রিত হয়ে আবার ব্রহ্মার কাছে গেলেন।
নিজেদের ভুল স্বীকার করে বললেন, প্রভু, আগে যেরকম চলছিল, সে রকমই চলতে দিন, সিস্টেম নষ্ট করে লাভ নেই!
মেয়েরা একটু ভেবে প্রেম করো
ভাই বা দাদা, তোমাদেরকে বলছি তোমরা কিন্তু রাগ কোরোনা।
সবাই তো সমান না!
তবে লেখাটা সকল মেয়েদের জন্য...
মেয়েদেরকে বলছি, বিশেষ করে টিন-এজার মেয়েদের প্রত্যেককে অনুরোধ করে বলছি সাবধান!
ছেলেরা প্রথম দিন সুন্দর করে একটু কথা বলবে।
তারপর তোমাকে খুব একটা বিরক্ত করবে না।
কয়েক দিন পর স্মার্ট হয়ে এসে আবার দেখা করবে, হাসি দিয়ে মিষ্টি কথা শোনাবে।
তারপর আবার দেখা করে তোমার প্রশংসা করবে।
এভাবে আস্তে আস্তে তোমার পরিচিত একজন হয়ে উঠবে এবং এত সুন্দর করে সে তোমার সৌন্দর্য্যের গুন গাইবে, তাতে তুমি অভিভূত হয়ে পড়বে।
তোমার বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে সমাধানের জন্য দৌড়ে যাবে।
মাঝে মাঝেই ফোনে তোমার খোঁজ নেবে।
তুমি আকৃষ্ট হবে, হতে বাধ্য।
ডেটিং করবে। ঘুরতে যাবে তোমার সাথে, নানারকম খাবার খাওয়াবে।
তোমাকে সুন্দর সুন্দর উপহার কিনে দেবে।
তুমি ভাববে, তার মতো মানুষই হয় না, যেন ভালোবাসার দেবতা। তুমি নিজেকে ভাগ্যবতী ভাববে।
এদেশের নাটক-সিনেমা তোমাকে প্রেমের মর্মবাণী শেখাবে।
কবি-সাহিত্যিকদের লেখনী তোমাকে প্রেমের তাৎপর্য বোঝাবে।
সত্যি, তুমি একজন প্রকৃত প্রেমিকা হয়ে উঠবে কিছুদিনেই।
একজন আদর্শ প্রেমিকার গুণে গুণান্বিত হওয়ার জন্য তুমি উঠেপড়ে লাগবে।
এমতাবস্থায় তোমাকে বিয়ের কথা শোনাবে, সেটা মজা ছলেও হতে পারে আবার নাও হতে পারে।
তুমি তুমিও একবাক্যে রাজি হয়ে আনন্দিত হবে।
তারপর বিয়ের প্রস্ত্ততির জন্য তোমার কাছে কয়েক মাস সময় চেয়ে নেবে।
ভাল, খুবই ভাল, তুমি ঠিকই সময় দেবে।
তার কয়েকদিন পর বা এইসব ঘটনার ভিতরেই তোমার শরীর স্পর্শ করবে সে।
তারপর আরও কাছাকাছি এবং একপর্যায়ে যৌনতা।
মানষিকভাবে যেহেতু তুমি তাকে জীবন-সঙ্গী হিসেবে মেনেই নিয়েছ তাই তুমি ইতস্তঃত করলেও কঠিনভাবে বাধা দেবে না।
শুরু হয়ে গেল। প্রথম থেকে সবকিছুই চলছে অত্যন্ত সুনিপূণভাবে, সুপরিকল্পিতভাবে।
এভাবে কিছুদিন চলবে কিন্তু বেশিদিন চালাবে না।
একসময় ঘরের মধ্যে আগে থেকেই গোপনে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা চালু করে রাখবে অথবা জানালা বা দরজার ছিদ্র দিয়ে আরেকজনকে দিয়ে হাতে তোমার নগ্ন শরীরের ছবি, ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করবে।
তারপর কি করবে? ইন্টারনেটে ছাড়বে ?
অবশ্যই ছাড়বে (এখানে শেষ হতে পারে। যদি নাহয়) তবে আরো কাজ আছে।
তোমার সেই ভাল মানুষটি তখন একটু ব্যস্ততা দেখিয়ে দূরে দূরে থাকবে।
আর সেই ফাঁকে ক্যামেরা ম্যানটি তোমার সাথে যোগাযোগ করে তোমাকে ছবি/ভিড গুলোর কপি দেখাবে, তোমার মাথা বন বন কোরে ঘুরবে, তখন সে তোমাকে আশ্বস্ত করবে, ভয়ের কোনো কারণ নেই সবকিছু গোপন থাকবে, তবে একদিন শুধু সে তোমাকে চাইবে।
ওদের দু‘জনের মধ্যে যোগাযোগের কথা অস্বীকার করে তোমাকে জানিয়ে দেবে প্রস্তাবে রাজি না হলে ইন্টারনেট।
বালিকা, তুমি কিন্তু একজন আদর্শ প্রেমিকা হতে চেয়েছিলে। তোমাকে প্রেম শেখানো কবি সাহিত্যিকরা এখন কোথায়?
এখন তুমি কি করবে? আত্মহত্যা!
রাবিস! তুমি আত্মহত্যা করলে বা না করলে তাতে কার কি যায় আসে?
প্রতিদিন তোমার মতো কত মেয়েই তো আত্মহত্যা করছে!
তাহলে শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেবে? ধরে নিলাম ক্যামেরাম্যানের কথায় তুমি রাজি হয়ে গেলে।
তারপরও কি তোমার বাঁচার কোনো উপায় আছে?
এভাবে আরও কঠিন প্রতারণা তোমার সাথে করবে তারা। কারন তোমার ছবি বা ভিডিও গুলো আস্তে আস্তে ছড়াতে থাকবে।
এমনও হতে পারে তোমাকে অভয় দিয়ে, ওই দু‘জনসহ অনেকে মিলে তোমাকে গণধর্ষণ করবে।
তারপরও ঠিকই তোমার ওই ছবি/ভিডিও গুলো ইন্টারনেটে ছাড়বে।
শহর-গ্রামের সমস্ত বয়সের বিকৃত মনের পুরুষেরা মজা করে তোমার ওই ছবিগুলো, ভিডিওগুলো দেখবে।
শুধু দেখবেই না, অপরাধের সবটুকু তোমার মধ্যেই তারা খুঁজে পাবে। তোমাকে দেখে নানারকম কুকথা বলবে তারা। তুমি নষ্টা, তুমি কামদানবী, তুমি পাপিষ্ট, তুমি বেশ্যা, তুমি একজন ভাল ছেলেকে নষ্ট করেছ ইত্যাদি ইত্যাদি।
আমি তোমাদের প্রেম করতে বারন করছি না।
সব ছেলেরা সমান নয়,
কিন্তু এইরকম ঘটন প্রতিদিন হাজার হাজার ঘটছে, তাই সাবধান করে দিচ্ছি।
হতে পারে আপনার প্রেমিকটা ভাল, কিন্তু তবুও ভুল বশত কোন কারনে যদি আপনার নগ্ন ছবি বা ভিডিও যদি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কি হবে তোমার জীবন? ভাবতে পারছ না তো! তাই সাবধান!!!
কারা ভালো বন্ধু, ছেলেরা নাকি মেয়েরা
এই ব্যাপারটা আমরা সকল ছাত্রছাত্রীরাই জানি।
তবুও চলো একটা গল্পের মাধ্যমে জানি কারা ভালো বন্ধু? ছেলেরা নাকি মেয়েরা?
তবে গল্প হলেও ঘটনা কিন্তু ১০০% সত্যি। তাহলে শুরু করা যাক।
পরীক্ষার হলে দুই বান্ধবীর কথোপকথন...
১ম বান্ধবীঃ এই, ৭ নং লিখেছিস?
২য় বান্ধবীঃ নারে, ৭ নং টা ভালো করে পারিনা।
১ম বান্ধবীঃ ৮ নং লিখেছিস?
২য় বান্ধবীঃ না, ঐটা দেবোনা।
১ম বান্ধবীঃ ৯ নং পারিস?
২য় বান্ধবীঃ নারে।
১ম বান্ধবীঃ ১০ নং লিখেছিস?
২য় বান্ধবীঃ লিখেছি। তবে বানিয়ে বানিয়ে লিখেছি !!
এবার রেজাল্টের সময় ঐ দুই বান্ধবীর কথোপকথন শুনুন...
১ম বান্ধবীঃ কত পেয়েছিস তুই?
২য় বান্ধবীঃ ভালোনারে . . .
১ম বান্ধবীঃ আহা, বলনা?
২য় বান্ধবীঃ ৯৫।
১ম বান্ধবীঃ ৯৫ পেয়েছিস, তবুও বলছিস ভালোনা !! কিন্তু তোর কাছে তো ৪টে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তুই পারবিনা বলেছিলি। এখন ৯৫ কিকরে পেয়েগেলি???
পরীক্ষার হলে দুই বন্ধুর কথোপকথন...
১ম বন্ধুঃ ভাই, ৭ নং লিখেছিস?
২য় বন্ধুঃ হুম।
১ম বন্ধুঃ দেখা।
২য় বন্ধুঃ এই নে ধর, খাতা দিয়ে দিলাম। যত খুশি দেখ। কিন্তু সাবধানে! আর বেশি কথা বলিসনা আমার সাথে, তাহলে স্যার আবার বকা দেবে।
১ম বন্ধুঃ থ্যাংকস ভাই। পাশ করবো তো?
২য় বন্ধুঃ আরে শালা, আমি পাশ করলে তুইও করবি। বেশি কথা না বলে এখন লেখ তো।
এবার রেজাল্টের সময় ঐ দুই বন্ধুর কথোপকথন শুনুন...
১ম বন্ধুঃ ভাই, থ্যাংকস !! তোর জন্য পাশ করে গেলাম।
২য় বন্ধুঃ ধুর শালা, অত ভাও খেতে হবেনা, কবে খাওয়াবি বল? আর হ্যাঁ কত পেয়েছিস?
১ম বন্ধুঃ ৯০।
২য় বন্ধুঃ কিকরে! তুই তো আমার খাতা হুবহু কপি করেছিলি। তাহলে আমার চেয়ে ৫ কম পেলি কেন? বানান ভুল করেছিলি নাকি?
না, আপনাদের আর কিছু বলা লাগবে না সেটা বুঝেছি।
আশা করি সবাই বুঝে গিয়েছেন যে কাদের বন্ধুত্ব বেশি মজবুত।
মোবাইলটাই আমার গার্লফ্রেন্ড
কে বলেছে আমি সিঙ্গেল?
আমি সিঙ্গেল নাতো। আমার গার্লফ্রেন্ড হিসাবে আছে আমার মোবাইলটা।
ওর ক্ষিদে লাগলে ওকে চার্জ খাওয়াই। ফাষ্টফুড হিসেবে খাওয়াই ব্যালেন্স। এভাবেই পকেট ফাঁকা হয়ে যায়।
কখনো যদি আবদার করি, "জানু, একটা গান শোনাও না।"
সে আমাকে আমার পছন্দের গান শোনায়।
যদি বলি অরিজিৎ সিং এর গলায় একটা শুনাও। সেটাও সে শোনায়।
আবার শুভমিতার কন্ঠে শোনাতে বললে সে শুভমিতার কন্ঠেও গান শোনায়।
তাকে সারাদিন টাচ করি। সে রাগ করে না। Kiss করি তবুও সে রাগ করে না।
তবে বকুনি দিলে অবশ্য মাঝে মাঝে রাগ করে দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়।
তারপর ঘরোয়া চিকিৎসায় রাগ না কুমলে ডাক্তার দেখিয়ে রাগ ভাঙাই।
ওকে ছাড়া এক মূহুর্ত ভাবতেই পারিনা।
যেখানেই যাই সঙ্গে নিয়ে যাই।
সে লিপস্টিক লাগিয়ে, ড্রেস পরে বের হতে দেরী করে না।
কোথাও নিয়ে গেলে আবদারও করে না। বিপদের সঙ্গী আমার এই মোবাইলটা।
অতঃপর আমি তাকে নিয়ে সুখী।
অতঃপর আমি তাকে নিয়ে সুখী।
বাচ্চাদের ভালো লাগতেও পারে লেখাটা।
না লাগলে মন্ত্যব্য করে জানিয়ে দিতে পারেন, তাহলে এইরকম লেখা আর দেব না।
ভালোবাসার আর একটা আধুরি কাহানী
"পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। ইনি হলেন রুদ্র শেখর, আমার অফিসের বস। আর স্যার, ও হলো মহুয়া, আমার স্ত্রী।"
আমি মিষ্টি করে হাসলাম মহুয়ার দিকে তাকিয়ে।
কিন্তু মহুয়ার চোখে বিস্ময়ের ঢল পড়েছে। "রুদ্র তুমি? এত্ত দিন পর? তুমি আবীরের বস? অথচ অথচ...."
অথচ আমি তার প্রাক্তন প্রেমিক, এ কথাগুলো মহুয়ার মুখ দিয়ে বেরোল না।
আবীর সাহেবও বেশ অবাক হয়েছেন বলে মনে হলো। বললেন, "মহুয়া, তোমরা আগে থেকে পরিচিত?"
মহুয়া কিছু বলার আগেই, আমি দ্রুত বললাম-"হ্যা আবীর সাহেব, মহুয়া আমার ইউনিভার্সিটির ফ্রেন্ড।"
আবীর সাহেব মুক্তাঝরা হাসি দিলেন-"রিয়েলি? দ্যাট'স আ গ্রেট সারপ্রাইজ!"
মহুয়া এখনো ভীষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। ওর চিন্তা আমি স্পষ্ট ধরতে পারছি। আমি একসময় বইয়ের মতো পড়তে পারতাম এই মেয়েটাকে।
মহুয়া নিশ্চয়ই ভাবছে, চার বছর আগে যে ছেলেটার সাথে দীর্ঘদিনের ভালবাসার সম্পর্ক কোন কারণ ছাড়াই এক লহমায় চুকিয়ে দিয়েছে, কাউকে না জানিয়েই বাবার পছন্দে আমেরিকা ফেরত ছেলের সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে, সেই ছেলে এত দ্রুত শক কাটিয়ে এত ভাল একটা পজিশনে স্টাবলিশড হলো কি করে?
কি ভাবছ মহুয়া? (আবীর সাহেব তার এক কলিগের সাথে গল্প করছেন, এদিকে খেয়াল নেই। এই ফাঁকে প্রশ্নটা করলাম মহুয়াকে।)
কিছু ভাবছি না, তুমি ভালো আছো?
কিছু তো একটা ভাবছই!
আমি...আমি আসলে অবাক হচ্ছি তোমাকে দেখে। আমি ভাবতাম খুবই দুর্বল মনের ছেলে তুমি। আমি তোমাকে না জানিয়ে অন্য একটা ছেলেকে বিয়ে করেছি, এই ধাক্কাটা এত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে ধারণা ছিল না আমার।
সবসময়ে এক ধরনের অপরাধবোধে ভুগতাম তোমার কথা ভেবে। অথচ তুমি দিব্যি সুখেই আছো!
আমি মৃদু হেসে বললাম, "দেখলে তো তোমার ধারণা ভুল। আসলে তোমার যেদিন বিয়ে হলো, সেদিনই আমি স্কলারশিপ নিয়ে ডেনমার্কে পাড়ি জমাই। দু'বছর পর পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরি। তারপর ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের কাজটা জুটিয়ে ফেলি তোমার হ্যাজব্যান্ডের অফিসে। অবশ্য আবীর যে তোমার বর সেটা আগে জানতাম না!"
মহুয়া স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল- "যাক, তুমি বাঁচালে আমায়। আমি তো সবসময় তোমার কথা ভেবে ভেবে দুঃশ্চিন্তায় ভুগতাম।"
আমি আস্বস্তের হাসি হাসলাম।
দু'ঘন্টা পর। অফিস পার্টি শেষ। আবীর আর মহুয়া হাত ধরাধরি করে গাড়িতে গিয়ে উঠল। মহুয়াকে উঠিয়ে দিয়ে আবীর হেটে এল আমার দিকে।
নিচু স্বরে বলল- "ধন্যবাদ রুদ্র। সত্যি, তোমার অভিনয়ের প্রশংসা করতে হয়। এই অভিনয়টুকু না করলে মহুয়া কখনো সুখী হতো না।"
আমি আমার সেই আস্বস্তিকরণ হাসিটা দিলাম আবার।
আবীর-মহুয়াদের গাডিটা চলে গেল দূরে, অনেক দূরে......!
ওরা চলে যেতেই আমার বুকটা হাহাকার করে উঠল, চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা হলো- "আমি মিথ্যে বলেছি মহুয়া। আমি অফিসের বস নই! আমি টিউশনী করি, পুরনো ঘিঞ্জি মেসে থাকা অকর্মা-বেকার যুবক। যেদিন তোমার বিয়ে হলো, সেদিন আমি ডেনমার্ক যাইনি। আমি সারারাত ছাদে বসে থেকেছি, আর তোমার কথা ভেবেছি।
তোমার ধারণা ঠিক, আমি মানসিক ভাবে আসলেই দুর্বল। আমি ভালো নেই মহুয়া, আমি ভালো নেই!"
ছেলেদের কান্না
মেয়েদের বলি, খুব সহজেই একটা ছেলেকে কাঁদাতে চান?
ছেলেদের কাঁদানো এত সহজ না।
একটা ছেলে রাস্তায় মার খেয়ে পড়ে থাকলেও কাঁদে না।
তাকে তার বাবা মা খুব করে বকলেও কাঁদে না। বরং শান্তি পায়।
তাকে তার বাবা মা খুব করে বকলেও কাঁদে না। বরং শান্তি পায়।
তার উপর তার দিদি বা দাদা রাগ করলেও সে কাঁদে না।
এতে সে সুখ খুঁজে পায়।
তাকে ক্লাসে টিচার হাজারটা বেতের মার দিলেও সে কাঁদে না। এটা বাস্তব।
তাকে তার প্রিয়জন রাগ করে থাপ্পড় দিলেও কাঁদে না।
সে তাতে ভালবাসা খুঁজে নেয়।
ছেলেরা বলতে গেলে কাঁদেই না। কাঁদানো এত সহজ না।
কাঁদানোর একটা সহজ উপায় হলো তাকে অবহেলা করুন।
তার উপর থেকে গুরুত্ব তুলে নিন।
তার ইমোশনাল কথাগুলো হেসে উড়িয়ে দিন।
তার ভালবাসাকে মজা হিসাবে নিন।
সেদিনই ছেলেটা কাঁদবে, তবে রাতে বা সবার আড়ালে, কেউ জানবে না।
এটুকু করে আপনি তাকে একরাতে যতটা কাঁদাতে পারবেন আপনি সারা জীবনেও ততোটা কাঁদতে পারবেন না।
হাস্যকর হলেও কথাগুলো মিথ্যে নয়।
সত্যি কথা
সত্যি কথা বলতে পারি চলতে পারি একা,
বলতে পারি অনেক কথা সোজা কিংবা বাঁকা ৷
ভাবতে পারি নিজের মতো চাইছি যত খুশি
হাসতে পারি সবার মতো পাচ্ছে যত হাসি
কাঁদতে পারি চুপিচুপি একলা বসে ঘরে ৷
সাহস খানাও দেখাতে পারি দেখিয়ে গায়ের জোরে
ভয় দেখালেও ভয় পেয়ে যায় , একটু কিছু হলে
এভাবেই বাঁচব শুধুই , সত্তি কথা বলে ৷
কবিতাটি এখানেই প্রথম প্রকাশিত।
লিখেছেন আমার ফেসবুকের বন্ধু দিব্যেন্দু হালদার।
চরিত্র ভালো রাখুন, সাথে মজার বোনাস
এটাকে একটা মজার গল্প বলা যেতে পারে।
কিন্তু,
আপনার সামনে আপনাকে কে কি বলছে সেটা প্রধান নয়!
আপনি যদি সত্যিকারের ভালো মানুষ হন।
তাহলে সবাই-ই আপনাকে ভালো বলবে, নিন্দুকেরা সামনে না বলুক, তবুও তারা জানবে যে আপনি ভালো।
গল্পটা পড়ুন...
এক কৃষকের দুই বউ ছিল, দুজনেই ভীষণ সুন্দরী।
তো, পাশের বাড়ির এক যুবক কৃষকের দুই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল।
একদিন সে বড় বউকে প্রেম নিবেদন করল, বড় বউ রেগে গিয়ে তাকে ঝাঁটা-পেটা করে তাড়িয়ে দিল।
এবার সে ছোট বউকে প্রেম নিবেদন করল এবং ছোট বউ সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল।
তারা রাতের অন্ধকারে বাঁশ বাগানে প্রেম করতে লাগলো।
এদিকে, পাড়া-পড়শীরা সবাই ব্যাপারটা জেনে গেল এবং কৃষককে সব কিছু জানিয়ে দিল।
কৃষক ব্যাটা এই আঘাত সহ্য করতে না পেরে হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেল।
তখন যুবকটি বড় বউকে বিয়ে করে ফেললো!
প্রতিবেশিরা সবাই তো অবাক!
তারা সবাই যুবকের কাছে জানতে চাইল, ছোট বউয়ের সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে করার কারণ কি?
তখন যুবক হেসে বলল...
পর-পুরুষকে ঝাঁটা-পেটা করতে পারে এমন বউই তো দরকার!
ছোট্ট পোস্ট করতে আমার ভালো লাগেনা।
তাই এটার সাথেও একটা বোনাস দিয়ে দিলাম আপনাদের জন্য।
বাংলা টিভি সিরিয়াল নিয়ে একটা মজার কবিতা
Star জলসা, Zee বাংলা
ধংস করল সোনার বাংলা।
''বোঝেনা সে বোঝেনা''
ভালো মন্দ খোজেনা।
আবার আছে ''জল নূপুর"
ঝগড়া করে রাত দুপুর।
আরো আছে "বধূ বরণ"
দেখতে দেখতে হবে মরণ।
সাথে আছে "চোখের তারা তুই"
মহিলারা বলে কাজ কর্ম ফেলে থুই।
যোগ হলো "তুমি আসবে বলে"
অনেক ছেলেরাও আবার তাদের দলে।
এসেছে এবার "কিরণ মালা"
এতো দেখি আরেক জালা!
ভালো লাগলো তো?
ভালো লাগারই কথা, সাথে থাকুন এবং মজা পেতে থাকুন।













